লং লাস্টিং: এটি দীর্ঘক্ষণ ঠোঁটে লেগে থাকে এবং সহজে মুছে যায় না।
স্মুদ টেক্সচার: এগুলো বেশ নরম বা ক্রিমি হয়, ফলে ঠোঁটে খুব সহজেই ব্লেন্ড করা যায়।
ওয়াটারপ্রুফ: এই লিপ লাইনারগুলো সাধারণত পানিনিরোধক হয়ে থাকে।
শেড ভ্যারাইটি: প্যাকেটে ১২টি ভিন্ন ভিন্ন রঙের পেন্সিল রয়েছে। এতে ন্যুড, পিঙ্ক, রেড এবং ব্রাউন টোনের চমৎকার সব কালার আছে যা বিভিন্ন লিপস্টিকের সাথে ম্যাচ করে ব্যবহার করা যাবে।
ব্যবহারের সুবিধা:
১. ঠোঁটের আকার ঠিক করা: লিপস্টিক দেওয়ার আগে ঠোঁটের চারপাশ বর্ডার করে নিলে ঠোঁট দেখতে সুন্দর ও ভরাট লাগে।
২. লিপস্টিক ছড়ানো রোধ করা: এটি ব্যবহার করলে লিপস্টিক ঠোঁটের বাইরে ছড়িয়ে পড়ে না।
৩. বেজ হিসেবে ব্যবহার: অনেকে পুরো ঠোঁটে এই লাইনার লাগিয়ে তার ওপর হালকা লিপস্টিক বা গ্লস ব্যবহার করেন, যা রঙটিকে অনেকক্ষণ স্থায়ী করে।
পরামর্শ:
ব্যবহারের আগে ঠোঁটে সামান্য লিপবাম লাগিয়ে নিলে খুব সহজে এবং মসৃণভাবে এটি অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।